নলকূপ থেকে পানীয় জলের সঙ্গে উঠছে শ্যাওলা ও পোকা। এই জল খেয়ে ইতিমধ্যেই গ্রামের বেশ কয়েকজন শিশুও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারপরেও বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে খুবই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন কাকদ্বীপের শ্রীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ গোবিন্দপুরের বৈদ্যপাড়ার বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এই পাড়ার প্রায় আড়াইশো জন বাসিন্দা একটি নলকূপের উপর নির্ভরশীল। এই এলাকার কোনো পুকুরের জল ব্যবহার করা যায় না। এমনকি এই এলাকায় জল জীবন মিশনের পাইপ পাতা হলেও, আজও পর্যন্ত জল আসেনি। তাই স্নান থেকে রান্না, সব ক্ষেত্রেই সবাইকে এই নলকূপের উপর নির্ভর করতে হয়। তবে পানীয় জল নেওয়ার সময় গ্রামবাসীদের সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। নলকূপের মুখে কাপড় বেঁধে পানীয় জল সংগ্রহ করতে হয়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাতেও সমস্যার সমাধান হয় না। জলের মধ্যে গুড়ি গুড়ি নোংরা দেখতে পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা কাকলি সিংহ বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলছে। গ্রীষ্মকালে সব থেকে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। ওই সময় এই এলাকার বাসিন্দাদের টাকা দিয়ে পানীয় জল কিনে খেতে হয়। শিশুরা এই নলকূপের জল পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। চিকিৎসকও জানিয়েছেন, জল থেকে তাদের পেটের রোগ হচ্ছে। বিষয়টি বিভিন্ন দপ্তরে জানানো হয়েছে, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি।"
কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক নীশিথ ভাস্কর পাল বলেন, "বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই যথাযত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"