ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে কোন্নগর  পর্যন্ত হকারদের গুমটি খালি করার নির্দেশ রেল পুলিশের

ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে কোন্নগর  পর্যন্ত হকারদের গুমটি খালি করার নির্দেশ রেল পুলিশের

ব্যান্ডেলে ফুটপাথ দখল করে রেলের জমিতে আর দোকানপাট করে একচেটিয়া ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না, সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্যের অন্যতম রেল স্টেশন ব্যান্ডেল জংশনে হকারদের মনে চরম সংকট। আশঙ্কায় পড়েছে লক্ষাধিক পরিবার। জানা গিয়েছে পূর্ব রেলওয়ের তরফ থেকে আগামী ২৮/০৫/২৬ তারিখ রেলের সমস্ত দখলকারী উচ্ছেদ করা হবে। এদিন থেকেই ফুটপাথে কোনো ব্যবসা চলবে না। ব্যান্ডেল রেল স্টেশনের হকারদের উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে রেল। ইতিমধ্যেই ওই দোকানদারা নিজেরাই মালপত্র তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।সোমবার সন্ধ্যায় ব্যান্ডেল স্টেশন চত্বরে বামনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সভা এবং মিছিল হয়। ওই জায়গায় রেলের দুশো বেশি দোকানদার আছেন। বহু মানুষ এই দোকানের উপর নির্ভরশীল, মীনাক্ষী বলেন গরিব হকারদের উচ্ছেদ করে সেই জায়গায় কর্পোরেটদের ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে, ফলে, গরিব মানুষ বেকায়দায় পড়ছেন, লাভবান হচ্ছে কর্পোরেট। পূর্ব রেলের তরফ নোটিশে বলা হয়েছে আগামী ২৮ শে মে এর মধ্যে ওই জায়গা ফাঁকা করে দিতে, নাচেৎ ওই দিন অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। একসময় তৃণমূল কংগ্রেস বস্তি উচ্ছেদ রুখতে না পারলেও ও আন্দোলনে ছিল, কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির  পরে এবার রেল উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তৃণমূলের সক্রিয়তা দেখা যায়নি।ব্যান্ডেল রেল স্টেশনকে বিশ্বমানের এয়ারপোর্টের আদলে গড়ে তোলার কাজে নেমেছে রেলদপ্তর আর সেই কারণে গত প্রায় দুই বছর ধরে লাগাতার রেলবস্তি উচ্ছেদ থেকে হকারদের ব্যবসা বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছে। ফের ব্যান্ডেল স্টেশন  রেলবস্তিতে উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।মীনাক্ষী আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে হুগলী তথা বাংলায় গণ আন্দোলন করতে দেয়নি তৃণমূল, সদ্য বিজেপি সরকার  পুলিশকে ব্যবহার করে সেই পথেই হাঁটছে। মানুষের রুটিরুজি কেড়ে পুঁজিপতিদের হাতে রেলকে তুলে দেওয়া হচ্ছে। শুধু পরিকাঠামো বাড়ালেই উন্নয়ন হয়না, মানবসম্পদের উন্নয়ন  দরকার। হকারদের এবং বস্তিবাসীদের জন্য পুনর্বাসন প্রয়োজন।