ইতালি থেকে সুন্দরবনের আসলেন সেদেশের বিখ্যাত বংশীবাদক, বাঁশিতে সুর তুললেন নোনা মাটির গান  

ইতালি থেকে সুন্দরবনের আসলেন সেদেশের বিখ্যাত বংশীবাদক, বাঁশিতে সুর তুললেন নোনা মাটির গান    
সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং - সুদূর ইতালি থেকে আসলেন সুন্দরবনে। উদ্দেশ্য একটাই সারা পৃথিবীকে  বাঁশির বন্ধনে আবদ্ধ করা। আর এই বাঁশি বাজানোর জন্যই তিনি উপস্থিত হয়েছেন সুন্দরবনের বাসন্তী ব্লকের কুলতলির নারায়ণতলা এলাকার এক মিলন মেলা প্রাঙ্গনে। 
বুধবার দমদম বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যাতে তিনি সেখানে উপস্থিত হন বাসন্তীর কুলতলিতে। প্রায় এক ঘন্টা ধরে টানা বাঁশি বাজিয়েছেন মেলার মঞ্চে। হাজার হাজার শ্রোতা সেই বাঁশির সুর শুনেছেন মুগ্ধ হয়ে।
বাঁশিতে সুর তুলেছেন গ্রাম বাংলার লোকসংস্কৃতি এবং মাটির গানকে। ইতালি থেকে আসা পৃথিবী বিখ্যাত এই বংশীবাদকের নাম সাইমন ম্যাটিএলো। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কালচার রিলেশন এবং এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার মিনিস্ট্রি দপ্তরের তরফ থেকেই তাঁর সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং সেখান থেকে অনুমতি পাওয়ার পর তিনি আসেন সুন্দরবনে। সুন্দরবনে আসার পর গ্রাম বাংলার মাটির গানে তিনি উদ্বুদ্ধ হয়ে যান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাঁশির সুরে সারা বিশ্বকে আমি এক সূত্রে বাঁধতে চাই। আর তার জন্য আমার সুন্দরবনে আগমন। সুন্দরবনের প্রতিটি নদী-নালা মাটি জল জঙ্গল সবকিছুই আমি বাঁশির সুরে উপলব্ধি করি। সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আমি আমার বাঁশির সুরকে পৌঁছে দিয়েছি। সুন্দরবনেও পৌঁছে দিলাম।’ 
 ছোটবেলা থেকেই বাঁশি বাজানোর প্রতি ছিল প্রচন্ড নেশা। বাঁশি বাজিয়ে তিনি সুর তুলতেন এবং জনগণকে আকৃষ্ট করতেন। বড় হয়েও সেই বাঁশিকেই তিনি সঙ্গী করেছেন বিশ্ব দরবারে। বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বংশীবাদক সাইমন ম্যাটিএলো।