ভর সন্ধ্যায় কীর্ণাহারে সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতি, এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

ভর সন্ধ্যায় কীর্ণাহারে সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতি, এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

ভর সন্ধ্যায় জনবহুল এলাকায় দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বীরভূমের কীর্ণাহারে। কীর্ণাহার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি সোনার দোকানে বুধবার সন্ধ্যার দিকে আচমকা হানা দেয় সাত থেকে আট জনের একটি সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি ছোট চারচাকা গাড়িতে করে এসে তারা দোকানে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে রীতিমতো লুটপাট চালায়।
দোকানের ভিতরে তখন ক্রেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুষ্কৃতীরা স্বল্প সময়ের মধ্যেই দোকান থেকে সোনার গয়না ও নগদ অর্থ লুট করে। এরপর দোকান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বোমাবাজি করতে করতে পালিয়ে যায় তারা, বলে অভিযোগ। বিস্ফোরণের শব্দে গোটা বাসস্ট্যান্ড চত্বর জুড়ে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কীর্ণাহার থানার পুলিশ। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশ ধাওয়া করলেও অন্ধকার ও যানজটপূর্ণ এলাকা কাজে লাগিয়ে তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সোনার দোকানের মালিক বাপ্পা কর্মকার জানান, “সবকিছু এত দ্রুত ঘটে গেল যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে লুটপাট চালিয়ে পালিয়ে যায়। আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”
এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। জনবহুল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সন্ধ্যার সময় এই ধরনের দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।