সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিং - এক দিকে চলছে এসআইআর আতঙ্ক,অপর দিকে ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি। দুয়ের মধ্যে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ক্যানিং মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দফতর।শুক্রবার ছিল জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধীর ৭৮ তম মহান প্রয়াণ দিবস। গান্ধীজির মহাপ্রয়াণ দিবসে ক্যানিং মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দফতর আয়োজন করেছিল সর্বধর্মের এক প্রার্থনা সভা। ক্যানিংয়ের একটি ক্লাব ঘরে আয়োজিত প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী শিক্ষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন কাসেমী,পদাবলী কীর্তনীয়া বিশিষ্ট বৈষ্ণব অমিয় কুমার সরকার,পাদ্রী সমীরণ মন্ডল,ক্যানিং মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দফতরের আধিকারীক আইনুল হক সহ অন্যান্য ধর্মের বিশিষ্ট ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। এদিন অনুষ্ঠানে জাতীর জনক মহাত্মা গান্ধীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে সূচনা হয়। পালিত হয় এক মিনিট নিরবতা।বিশিষ্ট ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিত্বরা মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ,ত্যাগ,দেশপ্রেম সম্পর্কে বক্তব্যের মধ্যদিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গান্ধীজীর জীবনী তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দেন।
সমাজসেবী শিক্ষক মাওলানা আনোয়ার হোসেন কাসেমী এমন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত সম্পর্কে জানান, ‘বর্তমানে সাধারণ মানুষ দিশেহারা।একদিকে ধর্ম নিয়ে সুড়সুড়ি,অন্যদিকে এসআইআর আতঙ্ক। সাধারণ মানুষকে ধর্মের উর্দ্ধে গিয়ে প্রথমেই ভাবতে হবে আমরা সকলেই মনুষ্যজাতী।ফলে জাতী ধর্ম বর্ণ বিদ্বেষ ভুলে মানুষকেই ভালোবাসতে হবে।গান্ধীজীর আদর্শ কে পাথেয় করে পথ চলতে হবে।কোন প্রকার ধর্মীয় বিভাজনের উস্কানিতে প্ররোচিত হলে চলবে না। আমরা ভারতবাসী। ভারতবর্ষ আমাদের জননী। এমনটাই আমাদের সকলকে পাথেয় করা পথ চলা প্রয়োজন।’