যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের 'আকাল' হাওড়াতে

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে গ্যাসের 'আকাল' হাওড়াতে

সুমন আদক, হাওড়া: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর মাঝেই আচমকা বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ 'বন্ধ' হয়ে যাওয়ায় চরম সঙ্কটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ হাওড়ার বেলুড়ের বজরংবলী লোহা মার্কেটেও ব্যবসায় প্রভাব পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে চাহিদার তুলনায় গ্যাস সিলিন্ডারের জোগানের অভাবে ব্যবসায়ীরা গত প্রায় ৪-৫ দিন ধরে ব্যবসায় মার খাচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের আশঙ্কা গ্যাসের যোগান ঠিকমতো না হওয়া পর্যন্ত বজরংবলী লোহা মার্কেট এর কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই গ্যাস ঘাটতি কেবল বজরংবলীতেই নয়, ছোটখাটো হোটেল রেঁস্তোরা ব্যবসায়ী, চা দোকান মালিক এবং রাস্তার ধারের ফাস্ট ফুড বিক্রেতাদের উপরই প্রভাব ফেলবে না, গ্যাস পাম্প ইতিমধ্যে বন্ধ থাকায় সমস্ত গ্যাস চালিত মোটর গাড়িও সমস্যার সম্মুখীন হবে। হলে এখন মাথায় হাত সকলেরই। ব্যবসায়ী কমলেশ সিং বলেন, 'গ্যাসের চাহিদামতো জোগান দেওয়া হচ্ছে না। ফলে বেলুড়ের বজরংবলী লোহা মার্কেটেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত আমাদের স্টকে যা গ্যাস আছে তাতে আর দিন দুয়েক পরেই কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেরকম সম্ভাবনা দেখা হলে এই মার্কেটের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ ব্যবসায়ীদের রুজি-রুটি বন্ধ হবে। আমরা চাই গ্যাসের জোগান যাতে স্বাভাবিক থাকে সেই নিয়ে সরকার দৃষ্টিভঙ্গি দিক। গ্যাস সাপ্লাই না হওয়া হলে একদিকে যেমন হেঁসেলে সমস্যা হবে, তেমনই ছোটখাটো রেস্তোরাঁ, রাস্তার ধারের খাবার দোকান, চায়ের দোকান সবেরই ব্যবসার ক্ষতি হবে।' লিলুয়ার বাসিন্দা উজ্জ্বল দত্ত বলেন, 'বাড়িতেও রান্নার গ্যাস পাচ্ছি না। গ্যাস বুকিং করানোর জন্য ফোন করেছিলাম কিন্তু ফোন ধরছেনা। অগত্যা তাই গ্যাসের অফিসে লাইন দিয়েছি। গ্যাস পাব কিনা জানিনা। ৩-৪ বার ফোন করেছিলাম। ফোন না পেয়ে এখানে নিজেই এলাম।'