চাঁদমারি ঝিলের মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধার

চাঁদমারি ঝিলের মধ্যে মৃতদেহ উদ্ধার

সুব্রত মন্ডল,সোনারপুর: রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে, চাঁদমারি ঝিলের মধ্যে আজ সকালে একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখতে দেখা যায়। এলাকার মানুষ সঙ্গে সঙ্গে সোনারপুর থানায় পুলিশকে খবর দিলে, তৎপরতার সহিত পুলিশ এসে ডেড বডিটা উদ্ধার করে। ছেলেটির নাম সৌভিক শিকদার, পিতা সুজিত শিকদার। বাড়ি সোনারপুর  বিবেকানন্দ পল্লী। সৌভিকের ব্যাগের মধ্যে তাঁর একটা আধার কার্ড পাওয়া যায়।  সেই সূত্র থেকে ঠিকানা  সংগ্রহ করা হয়েছে। গত শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সুজিত বাবু, তাঁর ছেলের নিখোঁজের ডায়রি করেছিল গত ০৮/০৮ /২০২৬ তারিখে। পরিবারের তরফ থেকে জানা যায় ছেলেটি নেশাগ্রস্ত এবং সাইকো ছিল। যেদিন বাড়ি থেকে চলে যায়।  মায়ের কাছে কিছু টাকা চেয়েছিল।  ছেলে নেশা করবে বলে, মা টাকা দেয়নি।  তাঁর জন্য সেদিন মাকে মারধর করে, ঘরের মধ্যে টিভি, ফ্রিজ ভাঙচুর করে চলে যায়।  আজ সকালে পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারে,ছেলের বডি সোনারপুর চাঁদমারি পুকুরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে,এলাকার সাধারণ মানুষ সোনারপুর থানায় কয়েকবার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পুকুরের চারিপাশে অসামাজিক কাজকর্মে পরিবেশ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। দুপুর থেকে সাট্টা,জুয়া,মদ, গাঁজা, নানা রকম অসামাজিক নেশায় এবং সন্ধ্যার পরে পরিবেশটা আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে পুকুরের পাশে অবৈধ গাড়ি পার্কিং গাড়ির ভিতরে বসে মদ, গাঁজা নেশা করে পথ চলতি মা-বোনদের উপর কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করে গালাগালি করে।  এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ?  আম্বেদকর ভবনের সামনে দিয়ে অবৈধ বিল্ডার্সের সেন্ডিকেট ব্যবসা তৈরি হওয়াতে,  অসামাজিক কাজকর্ম আরো বেড়ে চলেছে। সরাসরি দিনের বেলায়, সেখানে গাঁজা,জুয়া, ওপেন চলছে। সোনারপুর থানার পুলিশ প্রশাসন নির্বিকার।  এলাকার মানুষ পুলিশ প্রশাসনের উপরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বোঝা যাবে না, কিভাবে মৃত্যু হল সৌভিকের? তবে সৌভিকের গায়ে মারধরের দাগ পাওয়া গেছে।