দুবরাজপুরে গৃহবধূ খুন: তদন্তে পুলিশ কুকুর, জাতীয় সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

দুবরাজপুরে গৃহবধূ খুন: তদন্তে পুলিশ কুকুর, জাতীয় সড়ক অবরোধে উত্তেজনা

রুমা খাতুন, সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নৃশংসভাবে নিজের ঘরে খুন হলেন বছর ৩৫ শের গৃহবধু চায়না মন্ডল গড়াই।বুধবার দুবরাজপুরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুরে রাত্রে তাকে মেঝেতে খুন হয়ে পরে থাকতে দেখে তার স্বামী গৌতম গড়াই।তিনিই দেহ উদ্ধার করে মানসায়র হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকেরা।তারই তদন্তে বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্ধমান পুলিশের গোয়েন্দা কুকুর টিনা আসে। ঘরের ভিতর থেকে বেড়িয়ে বাড়ির পিছন পর্যন্ত গিয়ে কুকুর থেমে যায়।এলাকাবাসী জঘন্য অপরাধ ও প্রকৃত খুনিকে গ্রেফতারের দাবিতে চায়না গড়াইয়ের বাড়ির সামনে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ জানায় তারা খুনীর সন্ধানে বিভিন্নভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। আজ শুক্রবার পুলিশের ফরেন্সিক দল মৃতার ঘরে খুনীর নমুনা সংগ্রহে আসবে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে চায়নার ঘাড়ে ও ডান দিকের চোখে ভাড়ি আঘাতের চিহ্ন আছে। মাটিতে পরে থাকায় সেখানে খালি পা ও রক্তমাখা জুতোর ছাপ আছে। ঘরের ভিতরে টেবিলে ফল থাকলেও সেখানে ফলকাটা ছুরি উধাও। জাতীয় সড়কের পাশেই বাড়ি। গৌতমবাবুর ঘরের লাগোয়া তার দুই দাদার বাড়ি। অনুমান সন্ধ্যায় খুন হয়েছে।কিন্তু আশেপাশের দাদার বাড়ির কেউ টের পায় নি। বড় ছেলে বাড়ি থেকে একশো মিটার দূরে মন্দিরে বসেছিল। কোনও টের সে পায় নি। ছোট ছেলে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে মাসির বাড়ি বেড়াতে গিয়েছে। গৌতম বাবু জানান, ' নিজের গ্যারেজ থেকে ফিরে সন্ধ্যায় তিনি ঘরের মেঝেতে স্ত্রীকে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে তাকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাই'।প্রশ্ন উঠছে চিৎকার নেই,চেঁচামেচি নেই নীরবে তিনি হাসপাতালে গেলেন। পুলিশের অনুমান অতিপরিচিত কেউ এই খুনে জড়িত। কারন বাড়িতে থাকা পোষ্য কুকুর বহিরাগত কাউকে দেখে চিতকার করেনি
যে কুকুর সকালের দুধওয়ালাকে দেখে চিতকার করে।উল্লেখ্য চলতি সপ্তাহে গত সোমবার সাঁইথিয়া বেহুলাপাড়ায় খুন হন অঙ্গনারী কর্মী গীতা দত্ত। পুলিশের অনুমান তার পরিচিত কেউ এই খুনে জড়িত। ঠিক যেমন চায়নার খুনীদের ধরতে য়তার ফোন কল, বিকেলের পর থেকে এলাকার সিসি ক্যামেরার ছবি সংগ্রহ করছে। পাশাপাশি টাওয়ার ডাম্পিং করে সম্ভাব্য খুনীকে ধরার চেষ্টা করছে। জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ জানান, ' অপরাধী ধরতে সবদিক দিয়ে তদন্তে নেমেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ'।