বেলুড় মঠে সাড়ম্বরে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্মমহোৎসব পালিত
সুমন আদক, হাওড়া: শ্রীশ্রীঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ১৯১তম জন্মমহোৎসব উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকে সেজে উঠেছিল বেলুড় মঠ প্রাঙ্গণ। প্রথা অনুযায়ী ঠাকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্মতিথির পর যে রবিবার আসে বেলুড় মঠে সেদিনই পালিত হয় এই জন্মমহোৎসব। এই উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও বেলুড় মঠে মেলা বসে। সারাদিন মেলায় বিকিকিনি হয়। দূরদূরান্ত থেকে ভক্ত এবং সাধারণ মানুষ আসেন এই মেলায়। ভোর থেকেই দোকানিরা দোকান সাজিয়ে বসেন। একই সাথে ঠাকুরের মন্দিরে এবং মন্দিরের পাশে নির্মিত অস্থায়ী মন্ডপে এবং মঠ অফিস প্রাঙ্গণে সকাল থেকেই চলে নানা অনুষ্ঠান। বেলুড় মঠ সূত্রে জানা গেছে, শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পুঁথি পাঠ ও ব্যাখ্যা, রামচরিতমানস পাঠ (স্বামী সুখানন্দ), ভজন ও ঐকতান (নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন ব্লাইন্ড বয়েস একাডেমীর ছাত্রবৃন্দ), ভক্তিগীতি, বাউল গান, তরজা (শিবপদ মণ্ডল), লোকনৃত্য (ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রবৃন্দ),
যোগাসন- 'পতঞ্জলী যোগে চিত্ত' (রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ বিভাগের ছাত্রবৃন্দ),
নাট্যাভিনয়- 'ব্রজের রাখাল, রাখাল রাজা' (আঁটপুর কল্পতরু নাট্যতীর্থ),
ভক্তিগীতি, শ্যামাসঙ্গীত (পার্থ সারথি দাস), গীতি-আলেখ্য 'কে ঐ আসিল রে কামারপুকুরে' (রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের ছাত্রবৃন্দ), পদাবলী কীর্তন (শ্যামল নস্কর), ভজন (অর্ণব ভদ্র), কালীকীর্তন (বেলুড় মঠের সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারিবৃন্দ) সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় শ্রীশ্রীঠাকুরের মন্দিরে সন্ধ্যারতির আয়োজন করা হয়। এদিন মঠের তরফ থেকে হাতে হাতে ভোগ বিতরণ করা হয়। এই বিশেষ দিনে সারাদিনই বেলুড় মঠ খোলা ছিল।
admin