সুভাষ চন্দ্র দাশ, ক্যানিং - ২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচন।যদি ও নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও নির্বাচনের দিনক্ষণ স্থীর হয়নি। তবে সমস্ত রাজনৈতিক দল তাদের ঘর গুছিয়ে নিতে ব্যস্ত এবং তৎপর। কারণ যে কোন মুহূর্তে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল গুলোর হাতে বেশি সময় থাকবে না। এছাড়াও রাজ্যে প্রায় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হচ্ছে। আবার একদল থেকে অন্যদলে ভীড় জমানো শুরু হয়েছে রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে। এমন সব পরিস্থিতিতে বিষ্ফোরক মন্তব্য করলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস। তিনি হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেছেন হুমায়ুন কবীর যদি ক্যানিংয়ে আসে তাহলে দুটো পা ভেঙে দেবেন।
এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
পরেশ রাম দাস জানিয়েছেন, ‘ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। বিগত দিনে বামফ্রন্ট যখন ৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিল তখন ক্যানিংয়ে ছিল কংগ্রেসের আধিপত্য।বর্তমানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের আধিপত্য। কারা কে জোট করছে তা দেখার দরকার নেই। রাম শ্যাম সব এক হয়ে গেলেও কিছুই হবে না। সব দল একত্রিত হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস কে হারানোর জন্য। এছাড়াও প্রতিদিনই নতুন নতুন দলের জন্ম হচ্ছে। কিছু কিছু ভোট কেটে তৃণমূল কংগ্রেস কে একটা ক্ষতি করার চক্রান্ত করছে। বিজেপির প্রচুর ফান্ড রয়েছে। সেখান থেকে টাকা আসছে। কিছু লোক পকেট ভর্তি করার জন্য চক্রান্ত করছে।বিগত ২০২১,২০২৪ এ ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা এলাকা থেকে যে মার্জিনে তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছিল,২০২৬ এ তার থেকে দ্বিগুণ মার্জিনে তৃণমূল কংগ্রেস জয় পাবে। এছাড়া অভিষেক ব্যানার্জী বলেছিলেন,২০২৬ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১ টি বিধানসভা আসনে জিততে হবে। আমরা ভাঙড় সহ ৩১ টির মধ্যে ৩১ টিতেই জয় পাবো নিশ্চিত।’
অন্যদিকে বিধায়ক পরেশরাম দাস কে জিঞ্জাসা করা হয় হুমায়ুন কবীর নতুন দল করেছেন। তিনি যদি ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভায় প্রার্থী দেয় কি করবেন?
উত্তরে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক বলেছেন, ‘প্রথমে বলবো হুমায়ুন কবীর কে ক্যানিংয়ে আসতে। ক্যানিংয়ে আসলে দুটো পা ভেঙে দেব। কারণ হুমায়ুন এমন একজন নেতা যে বিজেপির খেয়েছে,তৃণমূল কংগ্রেসের খেয়েছে পরেছে। এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছে। ও যদি বাপের ব্যাটা হয় তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করুক। তারপর নিজে যে দল করেছে তার প্রার্থী দিক। গ্রামগঞ্জের মানুষ হুমায়ুনকে ধিক্কার জানাচ্ছে,ঘৃণা করছে।মুসলিম সামজ ও শিক্ষিত সমাজ কে মিথ্যা কথা বলে নষ্ট করার প্লানিং করেছে। মানুষ সেটা বুঝে গিয়েছে। ২০২৬ এ তার জবাব পেয়ে যাবে। তাছাড়া গোসাবা,বাসন্তী,ক্যানিং সহ জেলার ৩১ টি আসন এবং রাজ্যে মমতা ব্যানার্জী ও অভিষেক ব্যানার্জীর সৌজন্যে ২৫০ টির ও বেশী আসনে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ করবে নিশ্চিত ভাবে। পাশাপাশি রাজ্যে চতুর্থবারের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবে। ’