এনআইআরএফে র্যাঙ্ক বাড়বে, আশায় বিশ্বভারতী
দেবর্ষি মজুমদার, শান্তিনিকেতন: এনআইআরএফে র্যাঙ্ক বাড়বে, আশা বিশ্বভারতী উপাচার্যর। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ৯৭ র্যাঙ্ক থেকে ২০২৪ সালে ১০০-র বেশি র্যাঙ্কে নেমে আসে এই ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে বিশ্বভারতী উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ জানান, যে জায়গাগুলো এনআইআরএফ ত্রুটি মনে করেছিল সেই জায়গাগুলো এবার সারানোর চেষ্টা চলছে। ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আটজন গাইডকে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় প্রশিক্ষণ দিয়ে হেরিটেজ ওয়াক চালু করা হয়েছে। রাস্তা, হেরিটেজ ভবন, বায়োকম্পোজিট ব্যবস্থা, উইপোকা রোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৭৪ ফ্যাকাল্টির মধ্যে বিজ্ঞানী সহ এবং তার সঙ্গে ৫৭ চিকিৎসক সহ নন টিচিং স্টাফের প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। ১১৭ জন এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিয়োগের কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় হারে লেবারদের পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রিটায়ার্মেন্টের সাথে সমস্ত কিছু মিটিয়ে দেওয়া এবং বকেয়া পেনশন ও আটকে থাকা প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে পুজোর আগে উপহার হিসাবে বেশ কিছু প্রমোশন সহ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্র ছাত্রীদের ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন ভবনকে তিন মাস অন্তর বৈঠক এবং এক মাস অন্তর উপাচার্য প্রক্টোর, অধ্যক্ষ এবং ভবনের বিভাগীর প্রধানদের মধ্যে ছাত্র ছাত্রীদের কোনও ইস্যু থাকলে তা আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করছেন। ইতিমধ্যে খাবার ও জল নিয়ে যে সমস্যা ছিল, তা মেটানো হয়েছে।
পিয়ার্সন হাসপাতালে তিনটি মেশিন যার মূল্য যথাক্রমে ৫৫ লক্ষ, ২০ লক্ষ ও দশ লক্ষ করে। এছাড়াও, প্রাক্তনীরা এখানে সামান্য মূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। যেটা এতদিন বন্ধ ছিল।
admin