ফেসবুকের দৌলতে উদ্ধার মূক ও বধির নাবালক

ফেসবুকের দৌলতে উদ্ধার মূক ও বধির নাবালক

 

তপন চক্রবর্তী, উত্তর দিনাজপুর: দীর্ঘ দেড় বছর পর সমাজ মাধ্যমের পোস্টে মূক বধির ছেলেকে ফিরে পাওয়ায় আপ্লুত নাবালক মূক বধির ষষ্ঠীর পরিবার। হারানো ছেলেকে ফিরে পাওয়ায় আদালত চত্বরেই আনন্দাশ্রু মা জয়ন্তী বৈশ্যর।

পরিবারের হাতে তুলে দেয় হেমতাবাদ থানার পুলিস। নাবালক মুক বধির ষষ্ঠী বৈশ্যের বাড়ি হেমতাবাদ থানার সমসপুর সংলগ্ন টিটিহি গ্রামে।

পুলিস সূত্রে খবর, ষষ্ঠী ২০২৩ সালে হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে হেমতাবাদ থানার ষষ্ঠীর বাবা মন্টু বৈশ্য একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামে। প্রায় দেড় বছর হয়ে গেলেও ষষ্ঠীর কোনও হদিস না পাওয়ায় এক প্রকার হতাশ হয়ে গিয়েছিল ষষ্ঠীর বাবা।

সোমবার মালদার কালিয়াচকের এক বাসিন্দা ফেসবুকের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া নাবালকের ছবি পোস্ট করলে বিষয়টি জানতে পারে ষষ্ঠীর পরিবারের লোকজন। সোমবার ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্ট দেখেই হেমতাবাদ থানায় দ্বারস্থ হোন ষষ্ঠীর পরিবারের লোকজন। এদিন হেমতাবাদ থানার পুলিশ কালিয়াচক থানার পুলিশের সাহায্যে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ওই নাবালককে উদ্ধার করে হেমতাবাদ থানায় নিয়ে আসে। এদিন দুপুরে ষষ্ঠীকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারকের নির্দেশে সন্ধ্যার পর ষষ্ঠীকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিস সূত্রে খবর, ষষ্ঠী দের বছর ধরে কালিয়াচকের একটি ফলের দোকানে কাজ করতো।

সোমবার বিকেলে হঠাৎ করে ষষ্ঠী পালিয়ে গিয়ে কলিয়াচক বাসস্ট্যান্ডে উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে ঘুরে বেরাতে থাকে। সেই সময় এক ব্যক্তি ষষ্ঠীর একটি ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে। এরপর ওই ফলের দোকানের মালিক ষষ্ঠীকে পুনরায় তার ফলের দোকানে নিয়ে আসে। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা জানান, হারিয়ে যাওয়া নাবালকের একটি ছবি ভাইরাল হবার পর আমাদের থানার পুলিস কালিয়াচক থানার পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে এই নাবালককে উদ্ধার করে।