সারের কালোবাজারি বন্ধের দাবিতে কৃষকদের ডেপুটেশন কাটোয়ায়

সারের কালোবাজারি বন্ধের দাবিতে কৃষকদের ডেপুটেশন কাটোয়ায়

দেবাশিস রায়, পূর্ব বর্ধমান: অবিলম্বে সারের মূল্যবৃদ্ধি রোধ ও কালোবাজারি বন্ধ সহ মোট সাত দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার পূ্র্ব বর্ধমান জেলা কৃষি ও কৃষক বাঁচাও কমিটির পক্ষ থেকে কাটোয়া ১ নং ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন কৃষি আধিকারিকের কাছে ডেপুটেশন পেশ করা হল।রাজ্যের ‘শস্যগোলা’ পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে এই মুহূর্তে বোরো ও রবিশস্য চাষের মরশুম চলছে।এসময় কৃষিক্ষেত্রে প্রচুর পরিমাণে নানাবিধ সার, কীটনাশক প্রভৃতির প্রয়োজন হয়।কিন্তু, এসব উপকরণ খোলাবাজার থেকে কিনতে গিয়ে চড়া দামের কারণে তো মাথায় হাত পড়ছে।কৃষি ও কৃষক বাঁচাও কমিটি এবং অল ইন্ডিয়া কিষান ক্ষেতমজদুর সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগে বলা হয়েছে, সারের প্রতিটি বস্তায় মুদ্রিত দামের তুলনায় ক্ষেত্রবিশেষে ২০০-৪০০টাকা বেশি দাম বেআইনীভাবে নেওয়া হচ্ছে চাষিদের কাছ থেকে।শুধু তাই নয়, সার কেনার পর চাষিদের বিক্রেতা কোনও বিল দিচ্ছে না।কাটোয়া ১ নং ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় সারের ওপর ব্যাপকহারে কালোবাজারি চলতে থাকলেও কোথাও প্রশাসনিক নজরদারি নেই।কোথাও কোথাও সার কিনতে গেলে ডিলার তথা বিক্রেতারা সারের সাথে অনুখাদ্য অর্থাৎ ট্যাগ কিনতে বাধ্য করছেন দরিদ্র চাষিদের।এমনিতেই উত্তরোত্তর মূল্যবৃদ্ধির আমলে জমিতে ফসল ফলাতে চাষিদের কালঘাম ছুটে যাচ্ছে।তার ওপর একশ্রেণীর ডিলার তথা সার বিক্রেতাদের জুলুমবাজি চলতে থাকায় কৃষকদের দমবন্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি।এদিনের আন্দোলন কর্মসূচিতে উপস্থিত অনিরুদ্ধ কুন্ডু, অরবিন্দ সাহা, মোজাম্মেল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ কৃষি আধিকারিকের উদ্দেশে ডেপুটেশন পেশ করে অবিলম্বে প্রশাসনিক নজরদারি সহ প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।