পরিবর্তনের জোয়ারে ভাসছে সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা 

পরিবর্তনের জোয়ারে ভাসছে সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা 
সুভাষ চন্দ্র দাশ,গোসাবা - ৩৪ বছর বামফন্ট কে দেখেছি,১৫ বছর তৃণমূল কে দেখলাম। কোন প্রকার উন্নয়ণ হয়নি। শুধুমাত্র নিজেদের উন্নয়ণ করেছে। এবার পরিবর্তন চাই। এমনটাই বলছেন গোসাবা ব্লকের বিভিন্ন দ্বীপের মানুষজন। 
অভিযোগ,নদী বাঁধ সংস্কার হয়নি,পানীয় জল নেই,গোসাবায় ব্রীজ হয়নি। ফলে গোসাবার মানুষজন যে তিমীরেই ছিলেন সেই তিমীরেই রয়েছেন বলে দাবী। তাছাড়াও জলে কুমির ডাঙায় বাঘ। নদীরপাড়ে বাস চিন্তা বারোমাস। গোসাবার অধিকাংশ মানুষজন সুন্দরবন জঙ্গলের উপর নির্ভরশীল। মাছ কাঁকড়া মধু সংগ্রহ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন। আর কিছু মানুষজন কলকাতায় যায় কাজের খোঁজে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলে মানুষের দুঃখের শেষ থাকে না। নদীবাঁধ ভাঙন থেকে খেয়া পারাপার সমস্তটাই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে থমকে যায়।থমকে যায় জনজীবন। এছাড়াও এলাকায় ভালো হাসপাতালে নেই,নেই কলেজ। শিক্ষার মান তলানিতে। এছাড়াও জঙ্গলের উপর যে সমস্ত মানুষ নির্ভরশীল তাদের উন্নয়ণ হয়নি। সমস্ত দিক দিয়েই বঞ্চিত।এছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অধিকাংশ নেতা নেত্রীরা বিজেপিতে যোগদান করেছেন। ফলে এবার বিধানসভা নির্বাচনে গোসাবার সিংহভাগ মানুষ চাইছেন পরিবর্তন।তাঁদের দাবী সবাই এলো আর উন্নয়ণের ফুলঝুরি বাজিয়ে নিজেদের উন্নয়ণ করেছে। আবার বলছে উন্নয়ণ তরান্বিত হবে।আমরা সকলকেই সুযোগ দিয়েছি। কাজের কাজ কিছুই হয়নি।বর্তমানে গোসাবার হাওয়া গরম। কিছু মানুষ বলছেন উন্নয়ণ যে হয়নি তা নয়।সাধারণ মানুষের উন্নয়ণের থেকে নেতাদের উন্নয়ণ হয়েছে প্রচুর।তবে ২০২৬ এ বিজেপিকে পাঁচ বছরের জন্য সুযোগ দিতে চাই।