বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে বাংলার খেজুরের গুড় ও পাটালি

বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে বাংলার খেজুরের গুড় ও পাটালি
মলয় সুর; বাংলার নতুন খেজুরের গুড় বা পাটালির জনপ্রিয়তা দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। এশিয়া তো বটেই। ইউরোপের দেশগুলিতে চাহিদা রয়েছে গুড়ের। এমনকি মুসলিম মুসলিম দেশের দুবাইতেও । কিন্তু এবারের মরশুমে  মাথায় হাত গুড় ব্যবসায়ীদের। এবার আন্তর্জাতিক বিমানে ঝোলা গুড় নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। শুধু পাটালিকে প্লেনে ওঠার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাংলার নদীয়া জেলার মাজদিয়া ও তার আশে পাশে এলাকায় খেজুরের গুড় বিখ্যাত। এই অঞ্চলে নবদ্বীপ থেকে কৃষ্ণনগর যাতায়াত পথে শাকদা বাজার মোড় থেকে কিছুটা দূরে কেনারাম দাসের খেজুরের গুড় তৈরি হয়।‌ তার ১৫০ টি খেজুর গাছ রয়েছে । 
আপাতত  সেগুলি জমা নিয়েছেন । তার নাতি সূর্য দাস গুড় তৈরি থেকে বিক্রি পুরো ব্যাপারটা দেখভাল করেন। সে মাজদিয়া সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী কলেজে বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র। সে জানায়, দেশীয় বাজারে যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে। তার তুলনায় যোগান কম, তাই দাম গত বছরের তুলনায় একটু বেশি। যেমন নলেন ৩০০ টাকা  কেজি, পাটালি,  ৩৫০ টাকা,  দানা গুড় ৩০০ টাকা কেজি। শীত এখনো পর্যন্ত কম। সেটাই হয়তো এর কারণ। বেশিরভাগ গুড় বিক্রেতার কাছ থেকে আড়তদাররা পাইকারি দরে নিয়ে যান। এখানকার গুড়ের মান সবথেকে ভালো।