মদের বোতল ও জুতোর মালা তৈরী!তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে দেওয়ার আগেই পুলিশ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে করে উদ্ধার করে আটক করলো 

মদের বোতল ও জুতোর মালা তৈরী!তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে দেওয়ার আগেই পুলিশ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে করে উদ্ধার করে আটক করলো 
সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং - অভিযোগ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতেই বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন মাতলা ২ পঞ্চায়েত সদস্য বিকাশ মজুমদার। তার বিরুদ্ধে ২০২১ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বাড়িঘর ভাঙচুর,লুঠপাট,তোলাবাজির মত অভিযোগ রয়েছে। শুধু তোলাবাজি নয়,যে সমস্ত আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা বাড়িতে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কাটমানি নেওয়ার ও অভিযোগ রয়েছে।আরো অভিযোগ এলাকার মহিলাদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী। এমত অবস্থায় মঙ্গলবার রাজারলাট পাড়ার পুরাতন চাঁদনির বাসিন্দারা পঞ্চায়েত সদস্য বিকাশ মজুমদার কে ধরে ফেলে। তাকে স্থানীয় বিজেপি পার্টী অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে হাজীর হয় ২০২১ এ আক্রান্ত শতাধিক মহিলারা। বিকাশ মজুমদার কে এলাকায় ঘোরানোর জন্য মদের বোতল ও জুতো দিয়ে মালা তৈরী করেন।এমত অবস্থায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজীর হয় ক্যানিং থানার পুলিশ।মদের বোতল ও জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানোর আগেই বিকাশ মজুমদার কে উদ্ধার করে। আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সেই সময় পঞ্চায়েত সদস্য কে লক্ষ্য করে স্থানীরা চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে।উল্লেখ্য সারা রাজ্য জুড়ে তৃণমূল নেতাদের উপর ডিম,কাদা ও গোবর ছুড়ে থেরাপীর কাজ চলছে। এদিন পুলিশের সৌজন্য বাঁচলেন ক্যানিংয়ের পঞ্চায়েত সদস্য বিকাশ মজুমদার।
ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা পবিত্র পাত্র বলেন, ‘২০২১ এ বিকাশ মজুমদার সহ অন্যান্য তৃণমৃল নেতৃত্ব এলাকায় প্রায় দুশো বিজেপি কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর করে। তান্ডব চালায়।বাড়িছাড়া হয় অসংখ্য কর্মী। তাদের কে ঘরের ফেরানোর নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা কাটমানি নিয়েছে বিকাশ। শুধু তাই নয় পঞ্চায়েত সদস্য বর্তমানে কোটিপতি।তৎকালীন সময়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমানে পুলিশ সক্রিয়।কোটিপতি পঞ্চায়েত সদস্য’র আয়ের উৎস কি?এদিন স্থানীয় মানুষের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।তৃণমূল নেতাকে অক্ষত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। 
তিনি আরো বলেন,বিগত দিনে যে সমস্ত পুলিশ অফিসাররা তৃণমূল নেতাদের টাকায় চলছে,সেটা নজরে আসছে।আমরা বিষয়টি দলের উর্দ্ধতন নেতৃত্ব কে জানাবো। যাতে করে সেই সমস্ত পুলিশ কর্মীদের কে চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হয়।পাশাপাশি এই বিকাশ মজুরদার কে আইনের আওতায় এনে তার সমস্ত অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে আক্রান্তদের কে দেওয়া হয় সেই দাবী জানাচ্ছি।’
অন্যদিকে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিকাশ মজুমদার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন , ‘দুর্নীতি হয়েছে। আমি জড়িত নই। তৃণমূলের নেতা কর্মীরাই করেছে।’
ক্যানিং থানার পুলিশ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য বিকাশ মজুমদার কে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় রয়েছে উত্তেজনা।