সুব্রত মন্ডল, সোনারপুর: কেউ ছোট প্রশ্ন কমন পেয়েছে। কেউ সহজ বিষয় পেয়ে চুটিয়ে টীকা লিখেছে। সোমবার মাধ্যমিক প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে স্বস্তির শ্বাস ফেলেছে পরীক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার তৃতীয় পত্রের ইতিহাস পরীক্ষা দিয়েও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা। সোনারপুর সারদা বিদ্যাপীঠের পরীক্ষার্থী শ্রীদাএী কয়াল তাঁর জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় ওর মধ্যে কোন রকম টেনশন নেই। সব টেনশন উধাও সহজ প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে। পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে অধিকাংশ পড়ুয়া খুশিতে হেসেছে। সোনারপুর বিদ্যাপীঠে সিট পড়েছিল শ্রীদাএী কয়ালের। পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে উত্তর মিলিয়ে নিচ্ছিল। শ্রীদাত্রী ও তাঁর বান্ধবীর বক্তব্য খুব ভালো পরীক্ষা দিয়েছি। ১০০ শতাংশ অ্যাটেন্ড করেছি। এখন রেজাল্ট কি হয় দেখা যাক। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা,টেনশন স্বাভাবিক। তাই ইতিহাস পরীক্ষা ঢোকার আগে অনেকেই শেষ মুহূর্তে বইয়ের পাতায় চোখ বোলাতে ব্যস্ত। দেখা গেল পরীক্ষার্থীদের থেকেও বাবা মায়ের টেনশন চোখে মুখে ফুটে উঠেছে। অভিভাবকরা কেউ সন্তানের পেন্সিল বক্সে গুঁজে দিলেন ঠাকুরের আশীর্বাদি ফুল, কেউ ব্যাগে বা বুক পকেটে দিয়ে দিলেন দেবতার ছবি। সন্তানের পরীক্ষা নিয়ে আশা -আকাঙ্ক্ষা টেনশনের দোলাচল ফুটে উঠলো অভিভাবকদের চোখে মুখে। সোনারপুর থানার আইসি আশিস দাস প্রিভিজিটে প্রত্যেকটা পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে খোঁজখবর করলেন, পরীক্ষার্থীদের কোনো রকম অসুবিধা হচ্ছে কিনা। অন্যদিকে শহর জুড়ে দেখা গিয়েছে পরীক্ষার্থীদের সাহায্য করেছে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। পড়ুয়াদের হলে ঢোকার আগে গোলাপ ফুল, পেন,জলের বোতল ও চন্দনের ফোটা দেওয়া হয়। শহরের বিভিন্ন জায়গায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বা ওই এলাকার বিধায়কের উদ্যোগে পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে অটো পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।