নিজস্ব প্রতিনিধি: শুরু হয়ে গেছে গঙ্গাসাগর মেলা। মেলার প্রথম দিনের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায়, অগ্নি নির্বাপন ও জরুরী পরিসেবা মন্ত্রী সুজিত বসু, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, সেচ মন্ত্রী মানষ রঞ্জন ভূঁইয়া, পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, কৃষি বিপণন মন্ত্রী বেচারাম মান্না, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার, গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তথা সহ-সভাপতি শ্রীমন্ত মালি। সেচ ও জলপথ বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব মনীশ জৈন, জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের প্রধান সচিব সুরেন্দ্র গুপ্তা, পরিবহন বিভাগের সচিব সৌমিত্র মোহন, কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের কমিশনার সুমিত গুপ্তা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক অরবিন্দ কুমার মিনা ও সুন্দরবন পুলিশ জেলার আরক্ষাধক্ষ কোটেশ্বর রাও। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে মহাসাগর আরতি চলবে ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। সাগর কথার মাধ্যমে সাগর মেলায় এবং সাগরদ্বীপের তাৎপর্য ভক্তদের মাঝে তুলে ধরা হচ্ছে এবং ধর্মগুরুর প্রবচন শুনছেন ভক্তরা। বাবুঘাট থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই চলছে বাস ভেসেল এবং অন্যান্য যান চলাচল। পুণ্যার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। এখনো পর্যন্ত ৮৪ জন তীর্থযাত্রী হারিয়ে গিয়েছিল তার মধ্যে ৮০ জনকে তাদের পরিজনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে আর চারজনের জন্য খোঁজ চলছে। ইতিমধ্যেই অসুস্থতার কারণে ৬৪ বছরের উত্তর প্রদেশের শন্তলাল কে উচ্চচাপজনিত সমস্যার কারণে এবং ৭৭ বছরের হরিয়ানার বিমলা দেবীকে মেটাটারসাল ফ্রাকচারের কারণে হেলিকপ্টারে করে কলকাতার এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।